উখিয়া প্রতিনিধি
উখিয়া উপজেলার চির অবহেলিত রাজাপালং ইউনিয়নের অনুন্নত রাস্তাঘাট, স্কুল, মসজিদ ও দরবার শরীফ পরির্দশন করেছেন রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের নব-নির্বাচিত চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবির চৌধূরী। গতকাল সোমবার দুপুর ২টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত রাজাপালং ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় উন্নয়ন কার্যক্রম
পরিদর্শন কাজ শেষ করেন। এ সময় জাহাঙ্গীর কবির চৌধূরী উপস্থিত স্থানীয় গ্রামবাসীর সাথে খোলা মেলা আলাপকালে বলেন, রাজাপালং ইউনিয়নবাসী দীর্ঘদিন ধরে একটি পেশিশক্তির নিকট জিম্মি ছিল। গেল নির্বাচনে জনগণ আমাকে ভোট দিয়ে রাহুমুক্ত হয়েছে। অবহেলিত রাস্তাঘাটের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মাষ্টার প্লানের আওতায় রাজাপালং ইউনিয়নের সকল সড়ক প্রথমে ফ্ল্যাট সলিং ও পরে কার্পেটিংয়ের আওতায় আনার ঘোষনা দেন। এ সময় উখিয়া-টেকনাফের সাংসদ আবদুর রহমান বদির উন্নয়ন কর্মকান্ডের ভূয়ঁসী প্রসংশা করে বলেন, জেলার একমাত্র সরকার দলীয় মাটি ও মানুষের নিবেদিত প্রাণ সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদি উখিয়া উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রেখেছে। এসব উন্নয়ন কর্মকান্ডের সুফল এলাকাবাসী বর্তমানে ভোগ করছে। তিনি জননেত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক অর্জন যাতে কোন অশুভ শক্তি ম্লান করতে না পারে সে ব্যাপারে এলাকাবাসীকে সজাগ ও সর্তক থেকে ঐক্যবদ্ধ ভাবে তাদের ষড়যন্ত্র প্রতিহত করার আহবান জানান।
এ সময় চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবির চৌধূরী রাজাপালং ইউনিয়নের পূর্ব ডিগলিয়া গ্রামের মেনু মিয়ার বাড়ীর একটি রাস্তা, মধ্যম ডিগলিয়া পালং রাস্তা, মাবু খলিফার বাড়ীর রাস্তা, ডিগলিয়া পালং মাদ্রাসা সড়ক, পশ্চিম ডিগলিয়া মছন আলী সড়কের উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শনকালে তিনি গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়ন কাজের গুনগত মান দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন। এছাড়াও এনজিও সংস্থা এসিএফএর উদ্যোগে স্থাপনকৃত ১০টি ডিপ টিউবওয়েল পরিদর্শন করেন। চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবির চৌধূরী রাজাপালং ইউনিয়নের গুচ্ছ গ্রামে ২টি, সিকদার বিল ৫টি, পূর্ব ডিগলিয়া ২টি, তুলাতলী ২টি গ্রামবাসীদের কল্যাণে স্থাপনকৃত গভীর নলকূপগুলো পরিদর্শন করেন। তিনি এ ব্যাপারে এলাকার লোকজনকে যত্নবান হয়ে নলকূপ ব্যবহারের পরামর্শ দেন। এছাড়াও তিনি গুচ্ছগ্রামবাসীদের জন্য বিদু্যতায়নের ব্যবস্থা করার আশ্বাস প্রদান করেন। এ সময় চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরীর সাথে এসিএফ এর প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর এ্যান রেইনার, এসিএফ যোগাযোগ কর্মকর্তা মোঃ আলমগীর চৌধুরী, ছাত্রলীগ নেতা রাশেল উদ্দিন সুজন, সাংবাদিক আবদুর রহিম সেলিম, ওয়াশ সহকারী টিম লিডার লিটন বড়ুয়া ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও ইতিপূর্বে চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী মোঃ আলীর ভিটা রোড, শামশুল আলম সওদাগরের বাড়ী রোড কাজ সম্পন্ন করেন। রাস্তা পরিদর্শনে গেলে চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর চৌধুরীকে কাছে পেয়ে স্থানীয় লোকজন ও নারী-শিশু সহ শত শত লোক দেখার জন্য ভীড় জমায়।
উখিয়া উপজেলার চির অবহেলিত রাজাপালং ইউনিয়নের অনুন্নত রাস্তাঘাট, স্কুল, মসজিদ ও দরবার শরীফ পরির্দশন করেছেন রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের নব-নির্বাচিত চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবির চৌধূরী। গতকাল সোমবার দুপুর ২টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত রাজাপালং ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় উন্নয়ন কার্যক্রম
পরিদর্শন কাজ শেষ করেন। এ সময় জাহাঙ্গীর কবির চৌধূরী উপস্থিত স্থানীয় গ্রামবাসীর সাথে খোলা মেলা আলাপকালে বলেন, রাজাপালং ইউনিয়নবাসী দীর্ঘদিন ধরে একটি পেশিশক্তির নিকট জিম্মি ছিল। গেল নির্বাচনে জনগণ আমাকে ভোট দিয়ে রাহুমুক্ত হয়েছে। অবহেলিত রাস্তাঘাটের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মাষ্টার প্লানের আওতায় রাজাপালং ইউনিয়নের সকল সড়ক প্রথমে ফ্ল্যাট সলিং ও পরে কার্পেটিংয়ের আওতায় আনার ঘোষনা দেন। এ সময় উখিয়া-টেকনাফের সাংসদ আবদুর রহমান বদির উন্নয়ন কর্মকান্ডের ভূয়ঁসী প্রসংশা করে বলেন, জেলার একমাত্র সরকার দলীয় মাটি ও মানুষের নিবেদিত প্রাণ সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদি উখিয়া উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রেখেছে। এসব উন্নয়ন কর্মকান্ডের সুফল এলাকাবাসী বর্তমানে ভোগ করছে। তিনি জননেত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক অর্জন যাতে কোন অশুভ শক্তি ম্লান করতে না পারে সে ব্যাপারে এলাকাবাসীকে সজাগ ও সর্তক থেকে ঐক্যবদ্ধ ভাবে তাদের ষড়যন্ত্র প্রতিহত করার আহবান জানান।
এ সময় চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবির চৌধূরী রাজাপালং ইউনিয়নের পূর্ব ডিগলিয়া গ্রামের মেনু মিয়ার বাড়ীর একটি রাস্তা, মধ্যম ডিগলিয়া পালং রাস্তা, মাবু খলিফার বাড়ীর রাস্তা, ডিগলিয়া পালং মাদ্রাসা সড়ক, পশ্চিম ডিগলিয়া মছন আলী সড়কের উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শনকালে তিনি গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়ন কাজের গুনগত মান দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন। এছাড়াও এনজিও সংস্থা এসিএফএর উদ্যোগে স্থাপনকৃত ১০টি ডিপ টিউবওয়েল পরিদর্শন করেন। চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবির চৌধূরী রাজাপালং ইউনিয়নের গুচ্ছ গ্রামে ২টি, সিকদার বিল ৫টি, পূর্ব ডিগলিয়া ২টি, তুলাতলী ২টি গ্রামবাসীদের কল্যাণে স্থাপনকৃত গভীর নলকূপগুলো পরিদর্শন করেন। তিনি এ ব্যাপারে এলাকার লোকজনকে যত্নবান হয়ে নলকূপ ব্যবহারের পরামর্শ দেন। এছাড়াও তিনি গুচ্ছগ্রামবাসীদের জন্য বিদু্যতায়নের ব্যবস্থা করার আশ্বাস প্রদান করেন। এ সময় চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরীর সাথে এসিএফ এর প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর এ্যান রেইনার, এসিএফ যোগাযোগ কর্মকর্তা মোঃ আলমগীর চৌধুরী, ছাত্রলীগ নেতা রাশেল উদ্দিন সুজন, সাংবাদিক আবদুর রহিম সেলিম, ওয়াশ সহকারী টিম লিডার লিটন বড়ুয়া ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও ইতিপূর্বে চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী মোঃ আলীর ভিটা রোড, শামশুল আলম সওদাগরের বাড়ী রোড কাজ সম্পন্ন করেন। রাস্তা পরিদর্শনে গেলে চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর চৌধুরীকে কাছে পেয়ে স্থানীয় লোকজন ও নারী-শিশু সহ শত শত লোক দেখার জন্য ভীড় জমায়।


0 Comments