বার্তা পরিবেশক
খুনিয়াপালংয়ে বিচারের কথা বলে ইউপি কার্যালয়ে ডেকে এনে এক অবসরপ্রাপ্ত শিৰকের স্ত্রী-পুত্র নাজেহাল করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনা নিয়ে অবসর প্রাপ্ত শিৰকের স্ত্রী মমতাজ বেগম বাদী
হয়ে খুনিয়াপালং ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মাবুদকে আসামী করে মামলার প্রসত্দুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে। অভিযোগে প্রকাশ, রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নের দৰিণ ধেছুয়া পালং গ্রামের অবসর প্রাপ্ত শিৰক আব্দু সাত্তারের সাথে একই এলাকার শাহা আলমের মধ্যে সীমানা বিরোধ চলে আসছিল। গত দু'দিন পূর্বে শিৰক আব্দু সাত্তারের পরিাবারকে বৃহস্পতিবার খুনিয়া পালং ইউপি কার্যালয়ে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন। তার আলোকে শিৰকের স্ত্রী মমতাজ বেগম(৪৫) ও ছেলে নজরম্নল ইসলাম মনির গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে ইউপি কার্যালয়ে হাজির হলে চেয়ারম্যান আব্দুল মাবুদ তাদেরকে ব্যাপক গালি-গালাজ এবং মারধরের চেষ্টা চালায়। শিৰক আব্দু সাত্তার তার স্ত্রী ও পুত্রকে নাজেহাল করার জন্য ৰোভ প্রকাশ করে বলেন, শাহা আলমের দাবীকৃত ১০ শতক জমি তার পূর্ব পুরম্নষ পর্যনত্দ ভোগ-দখল করে আসছে। কিন্তু বর্তমান চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর ভূমিদসু্য শাহা আলম গং সক্রিয় হয়ে উঠে। এদিকে শিৰক আব্দু সাত্তারের লন্ডন প্রবাসী পুত্র সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, তার মা ও ভাইকে মারধর ও নাজেহালের অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের করতে চাইলে পুলিশ মামলা নিতে অনীহা প্রকাশ করে। তিনি বলেন পুলিশ সুপারের সাথেও এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হয়েছিল। তিনিও চেয়ারম্যানের বিরম্নদ্ধে মামলা নেয়া যাবে না বলে জবাব দেন।
খুনিয়াপালংয়ে বিচারের কথা বলে ইউপি কার্যালয়ে ডেকে এনে এক অবসরপ্রাপ্ত শিৰকের স্ত্রী-পুত্র নাজেহাল করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনা নিয়ে অবসর প্রাপ্ত শিৰকের স্ত্রী মমতাজ বেগম বাদী
হয়ে খুনিয়াপালং ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মাবুদকে আসামী করে মামলার প্রসত্দুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে। অভিযোগে প্রকাশ, রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নের দৰিণ ধেছুয়া পালং গ্রামের অবসর প্রাপ্ত শিৰক আব্দু সাত্তারের সাথে একই এলাকার শাহা আলমের মধ্যে সীমানা বিরোধ চলে আসছিল। গত দু'দিন পূর্বে শিৰক আব্দু সাত্তারের পরিাবারকে বৃহস্পতিবার খুনিয়া পালং ইউপি কার্যালয়ে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন। তার আলোকে শিৰকের স্ত্রী মমতাজ বেগম(৪৫) ও ছেলে নজরম্নল ইসলাম মনির গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে ইউপি কার্যালয়ে হাজির হলে চেয়ারম্যান আব্দুল মাবুদ তাদেরকে ব্যাপক গালি-গালাজ এবং মারধরের চেষ্টা চালায়। শিৰক আব্দু সাত্তার তার স্ত্রী ও পুত্রকে নাজেহাল করার জন্য ৰোভ প্রকাশ করে বলেন, শাহা আলমের দাবীকৃত ১০ শতক জমি তার পূর্ব পুরম্নষ পর্যনত্দ ভোগ-দখল করে আসছে। কিন্তু বর্তমান চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর ভূমিদসু্য শাহা আলম গং সক্রিয় হয়ে উঠে। এদিকে শিৰক আব্দু সাত্তারের লন্ডন প্রবাসী পুত্র সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, তার মা ও ভাইকে মারধর ও নাজেহালের অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের করতে চাইলে পুলিশ মামলা নিতে অনীহা প্রকাশ করে। তিনি বলেন পুলিশ সুপারের সাথেও এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হয়েছিল। তিনিও চেয়ারম্যানের বিরম্নদ্ধে মামলা নেয়া যাবে না বলে জবাব দেন।

0 Comments