জাহাঙ্গীর আলম
টেকনাফ উপজেলা হোয়াইক্যং পুলিশের বিশেষ অভিযানে সাজা প্রাপ্ত আসামী, নারী নির্যাতন মামলার আসামী, অস্ত্র উদ্ধার ও মায়ানমার নাগরিক আটক করে। প্রাপ্ত সূত্রে পাওয়া যায় যে, হোয়াইক্যং
পুলিশের সাপ্তাহ ব্যাপী অভিযান পরিচালনা কালে জি/আর মামলার সাজা প্রাপ্ত আসামী এবাদ উল্লাহ্ পিতা ছৈয়দ আহাম্মদ সাং মুহুরীঘোনা ধলঘাটা মহেশখালী, বর্তমানে তার বাড়ী হোয়াইক্যং কুতুব দিয়া পাড়া। জি/আর মামলার ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামী মোহাম্মদ জুয়েল পিতা মালেক নেওয়াজ সাং সাতঘরিয়া পাড়া , নয়াবাজার, কবির আহাম্মদ পিতা মৃত এজাহার মিয়া, সাং পশ্চিম মহেশখালীয়া পাড়া, আলতাজ মিয়া পিতা মৃত নজির হোসেন, সাং হোয়াইক্যং বালুখালী। নারী নির্যাতন মামলার আসামী আলমগীর পিতা আবদুস সালাম সাং মনির ঘোনা এদের আটক করে। বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে প্রবেশকৃত মায়ানমারের ৮জন নাগরিক লম্বাবিল নুর এর বাড়ী থেকে মালিক সহ ৮জন নাগরিক আটক করে। তারা হলেন সবি্বর আহাম্মদ ,পিতা আবদুস সালাম, আলী আহাম্মদ পিতা এন্ডা হোসেন, মোহাম্মদ জিয়া পিতা আবুল কালাম, নুর মোহাম্মদ পিতা ইউসুপ জলাল, জানে আলম পিতা আলী আহাম্মদ, ওমর ফারুক পিতা মুফিজ আলম, সবি্বর পিতা নুর মোহাম্মদ, মোহাম্মদ শফি ,পিতা জাফর আলম। তাদের বাড়ী বার্মার বুছিধং কোইন্ন্যা পাড়া। উক্ত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে টেকনাফ থানায় একটি মামলা হয়।
মিনা বাজার হাছইন্ন্যার টেক হইতে পরিতাক্ত অবস্থায় একটি দেশী তৈরী কাটা বন্ধুক দৈর্ঘ্য অনুমানিক ৭ইঞ্চি পুলিশ উদ্ধার করে। হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির এস,আই মোহাম্মদ বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী নেতৃত্বে এ,এস, আই মাহফুজ সহ পুলিশ সদস্যরা এ অভিযান পরিচালনা করেন। হোয়াইক্যং ইউনিয়নে বিগত সময়ে মিনাবাজার হাছইন্ন্যার টেক ও কেরুনতলী , হোয়াইক্যং বাহার ছড়ার ঢালা, নয়া বাজার, কাঞ্জর পাড়ায় বিভিন্ন স্থানে ডাকাতী ও ডাকাতদের তৎপরতা ছিল। এখন তা নেই বলে এলাকার লোকেরা জানান । এই ইউনিয়নের খারাংখালী , মিনাবাজার, ঝিমংখালী, নয়া পাড়া, কাঞ্জর পাড়া লম্বাবিল, কেরুনতলী, এসব স্থানে রাস্তার পাশে খোলা মাঠে বসে জোয়াড়ী ও মদটিদের আড্ডায় ভর পুর ছিল। এখন আগের চেয়ে তেমন দেখা যায় না। উক্ত এলাকায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে উল্লেখি অপরাজনক কার্যকলাপ বন্ধ করে দেয়। বর্তমানে পুলিশ দেশ ও এলাকার আইনর্শংখলা রক্ষায় বিশেষ ভুমিকা রেখে যাচ্ছে। হোয়াইক্যং ইউনিয়নের জনসাধারণের সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্ব নিয়োজিত থাকা পুলিশ বাহিনীর সদস্যদেরকে এলাকার ডাকাতী জোয়াড়ী, মদটিদের আড্ডা খানা সহ অপরাধ মুলক কার্যকলাপ ও আইনশৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখায় অগ্রণী ভূমিকা পালনের জন্য সচেতন মহল ও এলাকার জনসাধারণ তাদের ধন্যবাদ জানান। বিগত সময়ও হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির এস আই মোহাম্মদ বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরীর নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও ডাকাতদের আটক করে থাকেন।
এলাকার আইন শৃংখলা পরিস্থিতির ব্যাপারে এস,আই মোহাম্মদ বখতিয়ার উদ্দিনের কাছ থেকে জানতে চাইলে তিনি বলেন এলাকার আইনশৃংখলা নিয়ন্ত্রণ রাখা ও জনগনের নিরাপত্তা দেওয়া পুলিশের কাজ। তাই আমি আমার উপর অর্পিত দায়িত্ব সঠিক ভাবে পালনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। তিনি এলাকার জনগণের সহযোগিতা কামনা করেন।
টেকনাফ উপজেলা হোয়াইক্যং পুলিশের বিশেষ অভিযানে সাজা প্রাপ্ত আসামী, নারী নির্যাতন মামলার আসামী, অস্ত্র উদ্ধার ও মায়ানমার নাগরিক আটক করে। প্রাপ্ত সূত্রে পাওয়া যায় যে, হোয়াইক্যং
পুলিশের সাপ্তাহ ব্যাপী অভিযান পরিচালনা কালে জি/আর মামলার সাজা প্রাপ্ত আসামী এবাদ উল্লাহ্ পিতা ছৈয়দ আহাম্মদ সাং মুহুরীঘোনা ধলঘাটা মহেশখালী, বর্তমানে তার বাড়ী হোয়াইক্যং কুতুব দিয়া পাড়া। জি/আর মামলার ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামী মোহাম্মদ জুয়েল পিতা মালেক নেওয়াজ সাং সাতঘরিয়া পাড়া , নয়াবাজার, কবির আহাম্মদ পিতা মৃত এজাহার মিয়া, সাং পশ্চিম মহেশখালীয়া পাড়া, আলতাজ মিয়া পিতা মৃত নজির হোসেন, সাং হোয়াইক্যং বালুখালী। নারী নির্যাতন মামলার আসামী আলমগীর পিতা আবদুস সালাম সাং মনির ঘোনা এদের আটক করে। বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে প্রবেশকৃত মায়ানমারের ৮জন নাগরিক লম্বাবিল নুর এর বাড়ী থেকে মালিক সহ ৮জন নাগরিক আটক করে। তারা হলেন সবি্বর আহাম্মদ ,পিতা আবদুস সালাম, আলী আহাম্মদ পিতা এন্ডা হোসেন, মোহাম্মদ জিয়া পিতা আবুল কালাম, নুর মোহাম্মদ পিতা ইউসুপ জলাল, জানে আলম পিতা আলী আহাম্মদ, ওমর ফারুক পিতা মুফিজ আলম, সবি্বর পিতা নুর মোহাম্মদ, মোহাম্মদ শফি ,পিতা জাফর আলম। তাদের বাড়ী বার্মার বুছিধং কোইন্ন্যা পাড়া। উক্ত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে টেকনাফ থানায় একটি মামলা হয়।
মিনা বাজার হাছইন্ন্যার টেক হইতে পরিতাক্ত অবস্থায় একটি দেশী তৈরী কাটা বন্ধুক দৈর্ঘ্য অনুমানিক ৭ইঞ্চি পুলিশ উদ্ধার করে। হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির এস,আই মোহাম্মদ বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী নেতৃত্বে এ,এস, আই মাহফুজ সহ পুলিশ সদস্যরা এ অভিযান পরিচালনা করেন। হোয়াইক্যং ইউনিয়নে বিগত সময়ে মিনাবাজার হাছইন্ন্যার টেক ও কেরুনতলী , হোয়াইক্যং বাহার ছড়ার ঢালা, নয়া বাজার, কাঞ্জর পাড়ায় বিভিন্ন স্থানে ডাকাতী ও ডাকাতদের তৎপরতা ছিল। এখন তা নেই বলে এলাকার লোকেরা জানান । এই ইউনিয়নের খারাংখালী , মিনাবাজার, ঝিমংখালী, নয়া পাড়া, কাঞ্জর পাড়া লম্বাবিল, কেরুনতলী, এসব স্থানে রাস্তার পাশে খোলা মাঠে বসে জোয়াড়ী ও মদটিদের আড্ডায় ভর পুর ছিল। এখন আগের চেয়ে তেমন দেখা যায় না। উক্ত এলাকায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে উল্লেখি অপরাজনক কার্যকলাপ বন্ধ করে দেয়। বর্তমানে পুলিশ দেশ ও এলাকার আইনর্শংখলা রক্ষায় বিশেষ ভুমিকা রেখে যাচ্ছে। হোয়াইক্যং ইউনিয়নের জনসাধারণের সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্ব নিয়োজিত থাকা পুলিশ বাহিনীর সদস্যদেরকে এলাকার ডাকাতী জোয়াড়ী, মদটিদের আড্ডা খানা সহ অপরাধ মুলক কার্যকলাপ ও আইনশৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখায় অগ্রণী ভূমিকা পালনের জন্য সচেতন মহল ও এলাকার জনসাধারণ তাদের ধন্যবাদ জানান। বিগত সময়ও হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির এস আই মোহাম্মদ বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরীর নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও ডাকাতদের আটক করে থাকেন।
এলাকার আইন শৃংখলা পরিস্থিতির ব্যাপারে এস,আই মোহাম্মদ বখতিয়ার উদ্দিনের কাছ থেকে জানতে চাইলে তিনি বলেন এলাকার আইনশৃংখলা নিয়ন্ত্রণ রাখা ও জনগনের নিরাপত্তা দেওয়া পুলিশের কাজ। তাই আমি আমার উপর অর্পিত দায়িত্ব সঠিক ভাবে পালনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। তিনি এলাকার জনগণের সহযোগিতা কামনা করেন।

0 Comments