টেকনাফ প্রতিনিধি
এনজিও গুলো ব্যাংক একাউন্ট থেকে লাখ লাখ টাকা উত্তোলন করে নিয়ে গিয়েছে, অথচ উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউএনও, শিক্ষা অফিসার কেউ কিছু জানেন না বলে উপজেলা উন্নয়ন সমন্বয় ও শিক্ষা কমিটির সভায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে। এনজিও গুলো বরাদ্দের চেয়ে ৯হাজার টাকা অতিরিক্ত তুলে নিয়ে গিয়েছে । জানুয়ারী থেকে জুন পর্যন্ত বরাদ্দ ছিল ৬৩লাখ ৬৪হাজার ৮৬০টাকা। জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ৪২লাখ ২২হাজার টাকা । সভায় ব্যাংক একান্ট থেকে কর্মরত এনজিও গুলো লাখ লাখ টাকা
উত্তলন করার ব্যাপারে উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউএনও, উপজেলা শিক্ষা অফিসার কেউ অবহিত নন দাবী করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। বৈঠকে ৫জন তদারকি অফিসার নিয়োগ, আগমীতে শিক্ষা কমিটির অনুমোদন ছাড়া টাকা ছাড় না দেয়া, চেক বহি নিয়ন্ত্রন, নির্মিত ২০টি স্কুল পরিদর্শন, এসএমসি পূনঃ গঠন, আনন্দ স্কুলের অনিয়ম, সমপনি পরীক্ষার ফলাফল পর্যালোচনা, ২০১১-২০১২ অর্থবছরের উন্নয়ন তালিকা ভূক্ত ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ শফিক মিয়া এতে সভাপতিত্ব করেন। ২৮ডিসেম্বর সমম্বয় সভা ও ২৯ডিসেম্বর শিক্ষা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ইউএনও, ভাইস চেয়ারম্যানদ্বয়, শিক্ষা অফিসার, ইউআরসির ইন্সট্রাক্টরসহ কমিটির সদস্যগণ এতে উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং, হ্নীলা,সদর, বাহারছড়া ও পৌরসভায় আনন্দ স্কুলের কার্য্যক্রম চলছে। নিয়োজিত এনজিও গুলো হচ্ছে ঃ ফেইথ এন্ড হোপ, ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন নারী মৈত্রী চট্রগ্রাম, বিহঙ্গ সমাজ উন্নয়ন সংস্থা, সোনার বাংলা সমাজ কল্যাণ সংস্থা, ইশডু, হিতৈষী বাংলাদেশ ও ডন যুব উন্নয়ন সংস্থা (ডাইডা)। মোট আনন্দ স্কুলের সংখ্য ৩০২টি । মোট শিক্ষার্থী সংখ্যা ৯হাজার ৬৭৭জন। হোয়াইক্যং ইউনিয়নে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার, হ্নীলায় সমাজ সেবা অফিসার, সদরে সহকারী শিক্ষা অফিসার, বাহারছড়ায় ইউআরসির ইন্সট্রাক্টর, পৌরসভায় শিক্ষা অফিসারকে তদারকি কর্মকর্তা হিসাবে নিয়োগ করা হয়েছে। তাঁরা সরেজমিন পরিদর্শন ও তদন্ত করে আনন্দ স্কুলগুলোর বাস্তব অবস্থা প্রতিবেদন আকারে দাখিল করবেন। এরপর শিক্ষা কমিটির সিদ্ধান্ত মতে অর্থ ছাড় করণের ব্যবস্থা নেয়া হবে। তাহাড়া ২০টি স্কুল ভবন মেরামত/সংস্কার উন্নয়ন কাজের বকেয়া বিলের টাকা ছাড়া করণে কাজের গুনগত মান যাচাই করতে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যানকে প্রধান করে ৫সদস্য বিশিষ্ট একটি টিম আগামী ৪,৮,৯ জানুয়ারী পর্যায়ক্রমে সরেজমিন পরিদর্শন করবেন। এদিকে যেসব স্কুলে বিধি মোতাবেক স্কুল ম্যানেজিং কমিটি (এসএমসি) গঠন করা হয়নি বা মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে সেসব স্কুলের কমিটি পুনঃ গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। উপজেলা শিক্ষা অফিসার আলহাজ্ব মোঃ মুবারক আখতার জানান- আনন্দ স্কুলের ব্যাংক একাউন্ট পরিচালনা করার দায়িত্ব দায়িত্ব ছিল স্কুলে কর্মরত শিক্ষক শিক্ষিকা স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও সংশ্লিষ্ট এলাকার মহিলা মেম্বার। এদিকে টেকনাফের বিভিন্ন স্থানে আনন্দ স্কুলের টাকা আত্নসাৎ ঘটনায় শিশু শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মিছিল, শিক্ষিকার বাড়ী ঘেরাও, এনিয়ে পত্রিকায় লেখালেখি সর্বশেষ সমম্বয় ও শিক্ষা কমিটির সভায় বিভিন্ন সিদ্ধান্ত, ব্যাংক একাউন্ট চেক ইত্যাদি ঘটনার পর কর্মরত এনজিওদের অনেকেই গা ঢাকা দিয়েছে। এমনকি মোবাইল ফোনও রিসিভ করছেন না । আনন্দ স্কুল পরিচালনার দায়িত্বে নিয়োজিত এনজিও গুলো এলাকা থেকে লা পাত্তা হয়ে গেছে। এদিকে স্কুলের কর্মরত শিক্ষক শিক্ষিকা বৃন্দ তাদের পাওনা বেতনের টাকা জন্য এনজিও কর্তাদের হন্য হয়ে ঘুরছে এবং এমতাবস্থায় ১০হাজার শিক্ষার্থী বিপাকের মধ্যে পড়ে গেছে
এনজিও গুলো ব্যাংক একাউন্ট থেকে লাখ লাখ টাকা উত্তোলন করে নিয়ে গিয়েছে, অথচ উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউএনও, শিক্ষা অফিসার কেউ কিছু জানেন না বলে উপজেলা উন্নয়ন সমন্বয় ও শিক্ষা কমিটির সভায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে। এনজিও গুলো বরাদ্দের চেয়ে ৯হাজার টাকা অতিরিক্ত তুলে নিয়ে গিয়েছে । জানুয়ারী থেকে জুন পর্যন্ত বরাদ্দ ছিল ৬৩লাখ ৬৪হাজার ৮৬০টাকা। জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ৪২লাখ ২২হাজার টাকা । সভায় ব্যাংক একান্ট থেকে কর্মরত এনজিও গুলো লাখ লাখ টাকা
উত্তলন করার ব্যাপারে উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউএনও, উপজেলা শিক্ষা অফিসার কেউ অবহিত নন দাবী করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। বৈঠকে ৫জন তদারকি অফিসার নিয়োগ, আগমীতে শিক্ষা কমিটির অনুমোদন ছাড়া টাকা ছাড় না দেয়া, চেক বহি নিয়ন্ত্রন, নির্মিত ২০টি স্কুল পরিদর্শন, এসএমসি পূনঃ গঠন, আনন্দ স্কুলের অনিয়ম, সমপনি পরীক্ষার ফলাফল পর্যালোচনা, ২০১১-২০১২ অর্থবছরের উন্নয়ন তালিকা ভূক্ত ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ শফিক মিয়া এতে সভাপতিত্ব করেন। ২৮ডিসেম্বর সমম্বয় সভা ও ২৯ডিসেম্বর শিক্ষা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ইউএনও, ভাইস চেয়ারম্যানদ্বয়, শিক্ষা অফিসার, ইউআরসির ইন্সট্রাক্টরসহ কমিটির সদস্যগণ এতে উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং, হ্নীলা,সদর, বাহারছড়া ও পৌরসভায় আনন্দ স্কুলের কার্য্যক্রম চলছে। নিয়োজিত এনজিও গুলো হচ্ছে ঃ ফেইথ এন্ড হোপ, ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন নারী মৈত্রী চট্রগ্রাম, বিহঙ্গ সমাজ উন্নয়ন সংস্থা, সোনার বাংলা সমাজ কল্যাণ সংস্থা, ইশডু, হিতৈষী বাংলাদেশ ও ডন যুব উন্নয়ন সংস্থা (ডাইডা)। মোট আনন্দ স্কুলের সংখ্য ৩০২টি । মোট শিক্ষার্থী সংখ্যা ৯হাজার ৬৭৭জন। হোয়াইক্যং ইউনিয়নে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার, হ্নীলায় সমাজ সেবা অফিসার, সদরে সহকারী শিক্ষা অফিসার, বাহারছড়ায় ইউআরসির ইন্সট্রাক্টর, পৌরসভায় শিক্ষা অফিসারকে তদারকি কর্মকর্তা হিসাবে নিয়োগ করা হয়েছে। তাঁরা সরেজমিন পরিদর্শন ও তদন্ত করে আনন্দ স্কুলগুলোর বাস্তব অবস্থা প্রতিবেদন আকারে দাখিল করবেন। এরপর শিক্ষা কমিটির সিদ্ধান্ত মতে অর্থ ছাড় করণের ব্যবস্থা নেয়া হবে। তাহাড়া ২০টি স্কুল ভবন মেরামত/সংস্কার উন্নয়ন কাজের বকেয়া বিলের টাকা ছাড়া করণে কাজের গুনগত মান যাচাই করতে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যানকে প্রধান করে ৫সদস্য বিশিষ্ট একটি টিম আগামী ৪,৮,৯ জানুয়ারী পর্যায়ক্রমে সরেজমিন পরিদর্শন করবেন। এদিকে যেসব স্কুলে বিধি মোতাবেক স্কুল ম্যানেজিং কমিটি (এসএমসি) গঠন করা হয়নি বা মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে সেসব স্কুলের কমিটি পুনঃ গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। উপজেলা শিক্ষা অফিসার আলহাজ্ব মোঃ মুবারক আখতার জানান- আনন্দ স্কুলের ব্যাংক একাউন্ট পরিচালনা করার দায়িত্ব দায়িত্ব ছিল স্কুলে কর্মরত শিক্ষক শিক্ষিকা স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও সংশ্লিষ্ট এলাকার মহিলা মেম্বার। এদিকে টেকনাফের বিভিন্ন স্থানে আনন্দ স্কুলের টাকা আত্নসাৎ ঘটনায় শিশু শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মিছিল, শিক্ষিকার বাড়ী ঘেরাও, এনিয়ে পত্রিকায় লেখালেখি সর্বশেষ সমম্বয় ও শিক্ষা কমিটির সভায় বিভিন্ন সিদ্ধান্ত, ব্যাংক একাউন্ট চেক ইত্যাদি ঘটনার পর কর্মরত এনজিওদের অনেকেই গা ঢাকা দিয়েছে। এমনকি মোবাইল ফোনও রিসিভ করছেন না । আনন্দ স্কুল পরিচালনার দায়িত্বে নিয়োজিত এনজিও গুলো এলাকা থেকে লা পাত্তা হয়ে গেছে। এদিকে স্কুলের কর্মরত শিক্ষক শিক্ষিকা বৃন্দ তাদের পাওনা বেতনের টাকা জন্য এনজিও কর্তাদের হন্য হয়ে ঘুরছে এবং এমতাবস্থায় ১০হাজার শিক্ষার্থী বিপাকের মধ্যে পড়ে গেছে

0 Comments