মোবারক উদ্দিন নয়ন
সমৃদ্ধ দেশ গড়তে শতভাগ প্রাথমিক শিৰা নিশ্চিত করতে হবে। প্রথমিক শিৰকরা এ লৰে নিরনত্দর কাজ করে যাচ্ছেন। ফলে সারা দেশে গত ২ বছরে জেলার শিৰার হার আশাব্যঞ্জক বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রত্যনত্দ অঞ্চলে প্রাথমিক শিৰা ছড়িয়ে দেয়ার মাধ্যমে শতভাগ শিৰার হার সুনিশ্চিত করতে শিৰক অভিভাবকসহ সকলকে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে।
জাতীয় প্রাথমিক শিৰা সপ্তাহ ২০১২ উপলৰে শিৰামেলা, কৃতি শিৰাথর্ী সংর্বধনা ও সাংষ্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় জেলা প্রশাসক মো. জয়নুল বারি এসব কথা বলেন। সদর উপজেলা প্রশাসনের
উদ্যোগে গতকাল জেলা প্রাথমিক শিৰা অফিস মাঠে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার সেলিম মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর , উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমির আবদুলস্নাহ মো: মনজুরম্নল করিম , জেলা প্রাথমিক শিৰা অফিসার তাপস কুমার পাল। এতে সভাপতিত্ব করেন সদর উপজেলা চেয়ারম্যান সলিমুলস্নাহ বাহাদুর। স্বাগত ভাষণ দেন উপজেলা শিৰা অফিসার আবু আহমদ সহ আরো অনেকে।
২০১১ সালে অনুষ্ঠিত পিএসসি পরিৰায় উত্তীর্ণ ছাত্রছাত্রীর মধ্যে সবের্াচ্চ ৯৫% গড় নাম্বারধারী ৬০ জনকে সনদসহ পুরষ্কার প্রদান করা হয়। সদর উপজেলাসহ ৭ উপজেলা থেকে অনুষ্ঠানে শিৰা মেলায় স্টল গুলোতে বিভিন্ন প্রর্দশনীর আয়োজন করা হয়। রামু উপজেলা স্টলে প্রজেক্টের মাধ্যমে বিভিন্ন পোস্টার, ফ্ল্যাশ কার্ড এবং অডিও এর ব্যবহার ইত্যাদি দেখে শিৰার্থী ও অভিভাবকগন আনন্দিত হয়। এই প্রজেক্টেটি দীর্ঘ দুই বছর ধরে রামু উপজেলায় কাজ করছে বলে জানা যায়। প্রজেক্টের টিচার ফ্যাসিলিটেটর সরওয়ার আলম। শিৰকগন প্রজেক্টের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার দাবী জানান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক জয়নুল বারী আরো বলেন, সরকারীভাবে শিশুদের জন্য শতভাগ প্রাথমিক শিৰা নিশ্চিত করার জন্য শিৰাখাতে সবের্াচ্চ বরাদ্দ রাখে। দেশ পরিচালনার জন্য শিৰিত লোকের বিকল্প নেই, তাই গনহারে প্রাথমিক শিৰাকে তরান্বিত করার জন্য সরকার আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছে। উলেস্নখ্য সদর উপজেলা পিএসসি পরীৰায় ৯৯.৯৪% শিৰাথর্ী পাশ করে।
সমৃদ্ধ দেশ গড়তে শতভাগ প্রাথমিক শিৰা নিশ্চিত করতে হবে। প্রথমিক শিৰকরা এ লৰে নিরনত্দর কাজ করে যাচ্ছেন। ফলে সারা দেশে গত ২ বছরে জেলার শিৰার হার আশাব্যঞ্জক বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রত্যনত্দ অঞ্চলে প্রাথমিক শিৰা ছড়িয়ে দেয়ার মাধ্যমে শতভাগ শিৰার হার সুনিশ্চিত করতে শিৰক অভিভাবকসহ সকলকে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে।
জাতীয় প্রাথমিক শিৰা সপ্তাহ ২০১২ উপলৰে শিৰামেলা, কৃতি শিৰাথর্ী সংর্বধনা ও সাংষ্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় জেলা প্রশাসক মো. জয়নুল বারি এসব কথা বলেন। সদর উপজেলা প্রশাসনের
উদ্যোগে গতকাল জেলা প্রাথমিক শিৰা অফিস মাঠে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার সেলিম মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর , উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমির আবদুলস্নাহ মো: মনজুরম্নল করিম , জেলা প্রাথমিক শিৰা অফিসার তাপস কুমার পাল। এতে সভাপতিত্ব করেন সদর উপজেলা চেয়ারম্যান সলিমুলস্নাহ বাহাদুর। স্বাগত ভাষণ দেন উপজেলা শিৰা অফিসার আবু আহমদ সহ আরো অনেকে।
২০১১ সালে অনুষ্ঠিত পিএসসি পরিৰায় উত্তীর্ণ ছাত্রছাত্রীর মধ্যে সবের্াচ্চ ৯৫% গড় নাম্বারধারী ৬০ জনকে সনদসহ পুরষ্কার প্রদান করা হয়। সদর উপজেলাসহ ৭ উপজেলা থেকে অনুষ্ঠানে শিৰা মেলায় স্টল গুলোতে বিভিন্ন প্রর্দশনীর আয়োজন করা হয়। রামু উপজেলা স্টলে প্রজেক্টের মাধ্যমে বিভিন্ন পোস্টার, ফ্ল্যাশ কার্ড এবং অডিও এর ব্যবহার ইত্যাদি দেখে শিৰার্থী ও অভিভাবকগন আনন্দিত হয়। এই প্রজেক্টেটি দীর্ঘ দুই বছর ধরে রামু উপজেলায় কাজ করছে বলে জানা যায়। প্রজেক্টের টিচার ফ্যাসিলিটেটর সরওয়ার আলম। শিৰকগন প্রজেক্টের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার দাবী জানান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক জয়নুল বারী আরো বলেন, সরকারীভাবে শিশুদের জন্য শতভাগ প্রাথমিক শিৰা নিশ্চিত করার জন্য শিৰাখাতে সবের্াচ্চ বরাদ্দ রাখে। দেশ পরিচালনার জন্য শিৰিত লোকের বিকল্প নেই, তাই গনহারে প্রাথমিক শিৰাকে তরান্বিত করার জন্য সরকার আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছে। উলেস্নখ্য সদর উপজেলা পিএসসি পরীৰায় ৯৯.৯৪% শিৰাথর্ী পাশ করে।


0 Comments