উখিয়ার টাইপালংয়ে সংঘবদ্ধ কাঠ চোর সন্ত্রাসীরা তৎপর হয়ে উঠেছে। ওই সিন্ডিকেটের লোকেরা টাইপালং এলাকায় একটি অবৈধ করাতকল বসিয়ে দিনরাত চিরাই করছে সরকারী বাগানের মূল্যবান কাঠ। স্যালোমেশিন দিয়ে চালিত এ সমিলের কারণে পবিত্র রমজান মাসে এলাকাবাসীর রাতের ঘুম হারাম হয়ে গেছে। উখিয়া রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা বশিরুল আল মামুন ও বিট কর্মকর্তা সুনীল কুমার দেবরায় সহ সংশ্লিষ্ট বন কর্মকর্তাদের যোগসাজসে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ এ সমিলটিতে সরকারী বাগানের শত শত ঘনফুট মূল্যবান কাঠ চিরাই হচ্ছে। আসন্ন ইদ মৌসুমকে সামনে রেখে সংঘবদ্ধ কাঠচোর সন্ত্রাসীরা বে-পরোয়া হয়ে উঠেছে। উখিয়া সদর বনবিট, ভালুকিয়া বন বিট, রাজাপালং বন বিট, দোছড়ি বন বিট, হলদিয়া বন বিট, উখিয়ার ঘাট বন বিট ও পার্বত্য বান্দরবান জেলার বিভিন্ন বন বিটের সরকারী বাগানের মূল্যবান কাঠ সংঘবদ্ধ কাঠচোরের নির্বিচারে কর্তন করে এ সমিলে চিরাই করে থাকে। গত এক মাসে এ সমিলে কমপক্ষে ৫ হাজার ঘনফুট কাঠ চিরিাই করা হয়েছে। যার বেশিরভাগ কাঠ উখিয়া সদর বনবিট ও ভালুকিয়া বনবিটের সরকারের সংরক্ষিত বন বাগান ও সামাজিক বাগানের মূল্যবান কাঠ। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, সংঘবদ্ধ কাঠচোর সন্ত্রাসীরা বন কর্মকর্তাদের মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ম্যানেজ করে দীর্ঘ দিন ধরে অবৈধ সমিলটি চালু রেখেছে। তারা এ ব্যাপারে উখিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা ও বিট কর্মকর্তাকে বার বার অবগত করে কাজ হয়নি। এলাকার অসংখ্য মানুষের অভিযোগ অবৈধ সমিলের কারণে কতিপয় লোক লাভবান হলেও বিশাল জন গোষ্টি তথা সরকার ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে বেশি। এলাকাবাসীর অভিমত টাইপালং এলাকার অবৈধ সমিলটি অচিরেই উচ্ছেদ করা না হলে তারা উখিয়া রেঞ্জে দায়িত্বরত বন কর্মকর্তাদের অপসারণ দাবীতে আন্দোলনে যাবে। উখিয়া রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা বশিরুল আল মামুন জানান, অবৈধ সমিল উচ্ছেদের ব্যাপারে উপজেলা প্রশাসনে একটি প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে। খুব শিঘ্রই অবৈধ সমিল উচ্ছেদ করা হবে।

0 Comments